- TOPIK I = লেভেল ১–২ (মোট ২০০ নম্বর), TOPIK II = লেভেল ৩–৬ (মোট ৩০০ নম্বর)।
- ফলাফল সাধারণত ঘোষণার দিন থেকে ২ বছর গ্রহণযোগ্য।
- বাংলাদেশে ঢাকায় কাগজে পরীক্ষা হয়; নিবন্ধনের ঘোষণা দেয় কোরিয়ান দূতাবাস।
- EPS-TOPIK শুধু E-9 কর্মী হিসেবে আসার জন্য; সাধারণ TOPIK তার বদলে চলে না।
TOPIK-এর লেভেল ও নম্বর
TOPIK দুই ভাগে হয়। আলাদা আলাদা আবেদন করতে হয়, আর মোট নম্বর দিয়েই লেভেল ঠিক হয়।
| পরীক্ষা | অংশ | লেভেল ও নম্বর |
|---|---|---|
| TOPIK I | শোনা ও পড়া (মোট ২০০) | লেভেল ১: ৮০–১৩৯ লেভেল ২: ১৪০–২০০ |
| TOPIK II | শোনা, লেখা ও পড়া (মোট ৩০০) | লেভেল ৩: ১২০–১৪৯ লেভেল ৪: ১৫০–১৮৯ লেভেল ৫: ১৯০–২২৯ লেভেল ৬: ২৩০–৩০০ |
TOPIK I-এ ৮০-এর কম বা TOPIK II-এ ১২০-এর কম পেলে কোনো লেভেলের সনদ দেওয়া হয় না।
- সনদ নেই০–৮০ নম্বর
- লেভেল ১৮০–১৪০ নম্বর
- লেভেল ২১৪০–২০০ নম্বর
- সনদ নেই০–১২০ নম্বর
- লেভেল ৩১২০–১৫০ নম্বর
- লেভেল ৪১৫০–১৯০ নম্বর
- লেভেল ৫১৯০–২৩০ নম্বর
- লেভেল ৬২৩০–৩০০ নম্বর
বাংলাদেশে ও কোরিয়ায় পরীক্ষা
- বাংলাদেশ: ঢাকায় কাগজে (PBT) পরীক্ষা হয়। নিবন্ধনের তারিখ, ফি ও কেন্দ্রের ঘোষণা দেয় ঢাকার কোরিয়ান দূতাবাস। ২০২৬ সালের এপ্রিলের পরীক্ষায় অনলাইনে নিবন্ধনের পর দূতাবাসে গিয়ে ফি জমা দিতে হয়েছিল।
- কোরিয়া: বছরে কয়েকবার কাগজে আর কম্পিউটারে (IBT) পরীক্ষা হয়। নিবন্ধন হয় topik.go.kr-এ।
- বলার পরীক্ষা (말하기): এখন শুধু কোরিয়ায় হয়, আলাদা আবেদন ও ফি লাগে।
পরীক্ষার তারিখ প্রতি বছর বদলায়। নিবন্ধন সাধারণত পরীক্ষার ২–৩ মাস আগে খোলে এবং আসন দ্রুত শেষ হয়, তাই আগে থেকে নোটিশ দেখে রাখুন।
TOPIK কোথায় কাজে লাগে
স্টুডেন্ট ভিসা (D-2) ও পড়াশোনা
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ভাষার শর্ত প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় নিজে ঠিক করে। D-2 শিক্ষার্থীদের খণ্ডকালীন কাজের ঘণ্টাও TOPIK লেভেলের সঙ্গে যুক্ত: নির্দিষ্ট লেভেল (স্নাতকের ১ম–২য় বর্ষে সাধারণত TOPIK ৩, পরের বর্ষ ও স্নাতকোত্তরে TOPIK ৪) থাকলে বেশি ঘণ্টা কাজ করা যায়।
E-7-4 (দক্ষ কর্মী)
E-9 থেকে E-7-4-এ যেতে কোরিয়ান ভাষার ন্যূনতম শর্ত আছে, আর লেভেল যত বেশি, পয়েন্ট তত বেশি। বিস্তারিত: E-9 থেকে E-7-4 গাইড।
F-2-7 (পয়েন্টভিত্তিক বসবাস)
F-2-7-এর পয়েন্টে কোরিয়ান ভাষার জন্য আলাদা ঘর আছে, যেখানে TOPIK বা KIIP-এর একটি দিয়ে পয়েন্ট হয়। ২০২৫ সালের অক্টোবরের নিয়ম অনুযায়ী মোটামুটি এ রকম:
| TOPIK লেভেল | ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫–৬ |
|---|---|---|---|---|---|
| পয়েন্ট | ৩ | ৫ | ১০ | ১৫ | ২০ |
D-10 (চাকরি খোঁজার ভিসা)
D-10-এর পয়েন্টেও TOPIK বা KIIP লেভেলের জন্য বাড়তি পয়েন্ট আছে।
KIIP-এ সরাসরি উঁচু ধাপে ভর্তি
TOPIK থাকলে KIIP-এর লেভেল টেস্ট না দিয়ে সরাসরি উঁচু ধাপে শুরু করা যায়: TOPIK ১ → ধাপ ২, TOPIK ২ → ধাপ ৩, TOPIK ৩ → ধাপ ৪, TOPIK ৪–৬ → ধাপ ৫। আবেদন হয় Socinet-এ।
- TOPIK ১→ KIIP ধাপ ২
- TOPIK ২→ KIIP ধাপ ৩
- TOPIK ৩→ KIIP ধাপ ৪
- TOPIK ৪–৬→ KIIP ধাপ ৫
স্থায়ী বসবাস ও নাগরিকত্বে TOPIK কি চলে?
শুধু TOPIK দিয়ে F-5 (স্থায়ী বসবাস) বা নাগরিকত্বের ভাষা ও সমাজজ্ঞানের শর্ত পূরণ হয় না। সেখানে KIIP শেষ করা বা আলাদা মূল্যায়ন পরীক্ষা লাগে। তবে TOPIK দিয়ে KIIP-এ উঁচু ধাপে ঢুকে সময় বাঁচানো যায়। বিস্তারিত: F-2, F-5 ও নাগরিকত্ব।
EPS-TOPIK আর TOPIK-এর পার্থক্য
| EPS-TOPIK | TOPIK | |
|---|---|---|
| কে চালায় | HRD Korea (শ্রম মন্ত্রণালয়) | NIIED (শিক্ষা মন্ত্রণালয়) |
| কাজ | E-9 কর্মী হিসেবে আসার তালিকায় নাম তোলা | সাধারণ ভাষা দক্ষতার সনদ |
| গঠন | ৪০ প্রশ্ন, ১০০ নম্বর, ৫০ মিনিট | TOPIK I ২০০ নম্বর, TOPIK II ৩০০ নম্বর |
দুটির একটি আরেকটির বদলে চলে না। E-9 হিসেবে আসতে চাইলে EPS-TOPIK দিতে হবে: EPS থেকে E-9 গাইড।
এখানে কোরিয়ান ভাষা কেন জরুরি
TOPIK-এর প্রতিটি লেভেল বাড়লে ভিসার পয়েন্ট, কাজের ঘণ্টা আর চাকরির সুযোগ বাড়ে। HangeulBondhu-এর TOPIK I ও TOPIK II কোর্সে বাংলা ব্যাখ্যা, অডিওসহ বই আর মক টেস্ট দিয়ে পরীক্ষার ধরন ধরে প্রস্তুতি নেওয়া যায়।
TOPIK কোর্স দেখুন →সাধারণ প্রশ্ন
TOPIK-এর ফল কত দিন চলে?
সাধারণত ফল ঘোষণার দিন থেকে ২ বছর। যেখানে জমা দেবেন (বিশ্ববিদ্যালয়, ইমিগ্রেশন) তাদের নিয়মও দেখে নিন।
বাংলাদেশে কম্পিউটারে (IBT) TOPIK হয়?
২০২৬ সালের তালিকায় বাংলাদেশ IBT দেশ হিসেবে নেই; ঢাকায় কাগজে পরীক্ষা হয়। নতুন ঘোষণার জন্য দূতাবাসের নোটিশ দেখুন।
EPS-TOPIK পাস করলে কি TOPIK লেভেল পাওয়া যায়?
না। EPS-TOPIK শুধু E-9 কর্মসংস্থানের জন্য; এতে TOPIK লেভেলের সনদ হয় না।
